বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক
অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে পাসপোর্ট অফিসে কোনো
আবেদনকারীকে অযথা হয়রানি করে দালালের মাধ্যমে কাজ করানোর চেষ্টা করা হলে বিষয়টি
তাকে জানাতে বলেন তিনি।
আফজাল হোসেন পন্টির ভাষ্য অনুযায়ী, পাসপোর্টের
আবেদন করার জন্য দালাল নিয়োগের প্রয়োজন নেই। অনলাইনে আবেদন পূরণ ও ফি জমা দেওয়ার
কাজে প্রয়োজনে স্থানীয় কম্পিউটার কম্পোজের দোকানের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে। এ
ধরনের সেবার জন্য ২০০ থেকে ৩০০ টাকা নেওয়া হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
আবেদন সম্পন্ন করার পর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে
সাইনবোর্ডের পাসপোর্ট অফিসে সরাসরি গিয়ে ফাইল জমা ও ছবি তোলার কার্যক্রম সম্পন্ন
করার কথাও জানান তিনি।
পন্টি বলেন, নিজে আবেদনপত্র পূরণ করে অফিসে
যাওয়ার পর কোনো কারণে ফাইল গ্রহণ না করা হলে আবেদনকারী অফিসের দ্বিতীয় তলায় গিয়ে
উপপরিচালকের কাছে বিষয়টি তুলে ধরতে পারেন। প্রয়োজনে তাকে মেসেঞ্জার বা ফেসবুক
পোস্টের কমেন্টের মাধ্যমেও বিষয়টি জানানোর সুযোগ রয়েছে।
পাসপোর্ট অফিসের উপপরিচালক আবু নাঈম মাসুমের সঙ্গে
তার কথা হয়েছে উল্লেখ করে পন্টি জানান, উপপরিচালক তাকে বলেছেন—অফিসে আসা
কোনো ব্যক্তির ফাইল জমা না নিয়ে ফেরত পাঠানোর নিয়ম নেই। আবেদনপত্র বা প্রয়োজনীয়
কাগজপত্রে ভুল থাকলে তা সংশোধনের পর ফাইল গ্রহণ করা হয়।
পাসপোর্ট সেবা নিতে গিয়ে কোনো কর্মকর্তা অপ্রয়োজনীয়
ত্রুটি দেখিয়ে আবেদনকারীকে দালালের কাছে যেতে বাধ্য করলে তা জানানোর আহ্বান জানিয়ে
পন্টি বলেন, এ ধরনের বিষয় তার নজরে আনা হলে তিনি তা দেখবেন।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন