শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের দড়ি সত্যবান্দি এলাকার একটি বাড়ির তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাদিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাড়িটির মালিক বাতেন। তাঁর বাড়িতে হাকিম মোল্লার ভাড়া নেওয়া সেমিপাকা টিনশেড ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত নাদিম আকন্দের বাড়ি কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থানার উত্তর জাঙ্গালিয়া এলাকায়। তাঁর বাবা মো. জসিম উদ্দিন এবং মা পান্না আক্তার। এ ঘটনায় নাদিমের বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় হত্যা মামলা করেন।
পুলিশের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় মামলাটির তদন্ত শুরু হয়। সহকারী পুলিশ সুপার (গ সার্কেল) মেহেদী ইসলামের তত্ত্বাবধানে এবং আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল অভিযানে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার ছয় ঘণ্টার মধ্যেই যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে হাকিম মোল্লাকে আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার হাকিম মোল্লা নড়াইলের নড়াগাতী থানার গাছবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মাহাবুব মোল্লা।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাকিম জানিয়েছেন, শিলপাটা দিয়ে নাদিমের মাথায় আঘাত করার পর শ্বাসরোধ করে তাঁকে হত্যা করেন। পরে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশের ভাষ্য, পরকীয়া সম্পর্ক ও পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন