বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুহা তাবিলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জের ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক মো. কবির হোসেন অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন।
অভিযানে ‘ওষুধ ঘর’ ফার্মেসির মালিক মো. ইয়াছিন মিয়াকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইভাবে ‘সেবা ফার্মেসি’র মালিক মো. আফজাল হোসেনকে ৫০ হাজার এবং ‘আমুলিয়া ফার্মেসি’র মালিক মো. মাইনুল কবির খানকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়া ও নিষিদ্ধ ওষুধ মজুত এবং বিক্রির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। পাশাপাশি চিকিৎসকদের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত ফিজিশিয়ান স্যাম্পল মজুত রাখার বিষয়টিও ধরা পড়ে।
এ ছাড়া ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) ওষুধ ছাড়া নিবন্ধিত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র প্রয়োজন—এমন ওষুধও প্রেসক্রিপশন ছাড়াই বিক্রি করা হচ্ছিল বলে অভিযানে প্রমাণ পাওয়া যায়। এর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিকসহ বিভিন্ন ওষুধ ছিল।
অভিযান পরিচালনাকারীরা জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ বা নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রি, বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ কিংবা প্রদর্শন করা আইনত দণ্ডনীয়। একইভাবে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বেচাকেনা বা মজুত এবং চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিকসহ অন্যান্য নিবন্ধিত ওষুধ বিক্রির সুযোগ নেই।
এসব অনিয়মের কারণে তিন ফার্মেসির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা হিসেবে পৃথক জরিমানা করা হয়। জরিমানার মোট অর্থ ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন