চট্টগ্রাম বন্দর থেকে
ধ্বংসের উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জে আনার পথে বিপজ্জনক রাসায়নিক বহনকারী একটি কাভার্ড
ভ্যানে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। তবে আগুন গাড়িটির ইঞ্জিনেই সীমাবদ্ধ থাকায় ভেতরে থাকা
রাসায়নিক ও এসিড নিরাপদ রয়েছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত পৌনে
৯টার দিকে সোনারগাঁ উপজেলার মালিবাগ এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকা অভিমুখী
লেনে এ ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা
যায়, খুলনা মেট্রো-চ-১১-১২৯৪ নম্বর কাভার্ড ভ্যানটির ইঞ্জিন অতিরিক্ত গরম
হয়ে আগুন ধরে যায়। খবর পেয়ে সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে
কাজ শুরু করে। প্রায় ১০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
কাভার্ড ভ্যানটিতে চট্টগ্রাম
বন্দর থেকে রূপগঞ্জের যাত্রামুড়ায় অবস্থিত ওয়াটা কেমিক্যালসের জন্য রাসায়নিক নেওয়া
হচ্ছিল। অগ্নিকাণ্ডে গাড়ির চালক ও হেলপারও নিরাপদে আছেন বলে জানিয়েছে ফায়ার
সার্ভিস।
এর আগে শনিবার দুপুরে বিশেষ
নিরাপত্তাব্যবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দরের এইট বি ইয়ার্ড থেকে নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে
নয়টি কনটেইনারের একটি চালান পাঠানো হয়। এতে সালফিউরিক অ্যাসিড ও নাইট্রিক
অ্যাসিডের একটি কনটেইনার,
মিথানলের পাঁচটি এবং থিনারের দুটি কনটেইনার ছিল।
দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে
চট্টগ্রাম বন্দরে পড়ে থাকা এসব বিপজ্জনক রাসায়নিক ধ্বংস করার লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জে
নেওয়া হচ্ছে। পরিবহনের সময় একটি গাড়িতে আগুন লাগার ঘটনায় ঝুঁকিপূর্ণ রাসায়নিকের
নিরাপদ পরিবহনব্যবস্থা ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি
হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের পর কাভার্ড
ভ্যানটি হাইওয়ে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার
মোহাম্মদ জাহেদ চৌধুরী বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার
সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। প্রায় ১০
মিনিটের মধ্যে আগুন নেভানো সম্ভব হয়। গাড়ির ইঞ্জিনে আগুন লাগলেও বহন করা কেমিক্যাল
বা এসিডে আগুন লাগেনি।’
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন