কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা-কর্মীরা অংশ নেন। এ সময় বাস মালিকদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।
মিছিল থেকে বক্তারা বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার বিষয়টিকে সামনে রেখে উৎসব ও বন্ধন বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে একাধিকবার আলোচনা ও বৈঠক হলেও বাস মালিকরা যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণে সহযোগিতা করছেন না। নারায়ণগঞ্জবাসীর স্বার্থে এ ধরনের অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা–নারায়ণগঞ্জ রুটে ৫৫ টাকার পরিবর্তে ৬০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। যাত্রী ও শিক্ষার্থীদের দাবি, সাধারণ যাত্রীদের জন্য ভাড়া ৫৮ টাকা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ৩৪ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় ছাত্রশক্তি, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস, ইসলামী ছাত্র মজলিস, ইসলামী ছাত্রসেনা ও ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সমন্বয়ে ‘পরিবহন সিন্ডিকেট বিরোধী ছাত্র ঐক্য’ নামে সাত ছাত্র সংগঠনের জোট গঠিত হয়েছে।
এর আগে একই দাবিতে মঙ্গলবার শহরে অর্ধবেলা অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিল জোটটি। তবে সোমবার সন্ধ্যায় জেলা পরিষদে বাস মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ ফোরাম এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও ছাত্র সংগঠনের নেতারাও অংশ নেন।
বৈঠকে যাত্রী অধিকার ফোরাম ও শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত পোষণ করে বাস মালিকপক্ষ। তবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য তারা একদিন সময় চান। পরে বাস মালিকদের সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেন ছাত্রনেতারা।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৌরভ সেন বলেন, বাস মালিকরা একদিন সময় চেয়েছেন। তাদের অনুরোধকে সম্মান জানিয়ে আপাতত অবরোধ স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে নির্ধারিত দাবিগুলো বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন আবারও চালিয়ে যাওয়া হবে।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন