স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে গোলাম মোস্তফা রাসেলের চাকরিচ্যুতির বিষয়টি
জানানো হয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) পরামর্শ এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর এ
সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল
রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় গোলাম মোস্তফা রাসেল ২০২৫ সালের ৩১
মার্চ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে তাকে একাধিকবার নোটিশ পাঠানো হয়।
হোয়াটসঅ্যাপ, ডাক ও ই-মেইলের মাধ্যমে নোটিশ দেওয়া হলেও
তিনি কোনো লিখিত জবাব দেননি এবং কর্মস্থলেও ফিরে যাননি।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ২০২৫
সালে বিভাগীয় মামলা নম্বর ০২৫/২০২৫ করা হয়। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে আনা ‘অসদাচরণ’
ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
পরে বিভাগীয় ব্যবস্থার অংশ
হিসেবে সরকারি কর্ম কমিশনের মতামত নেওয়া হয়। কমিশনের পরামর্শের পর বিষয়টি
রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হলে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত
অনুমোদন করা হয়।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গোলাম
মোস্তফা রাসেলের চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশ ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ থেকেই কার্যকর ধরা
হয়েছে।
এর আগে কর্মস্থলে
অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে ২০২৫ সালের জুনে গোলাম মোস্তফা রাসেলসহ
পুলিশের কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ
চৌধুরীর স্বাক্ষরে জারি করা প্রজ্ঞাপনে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গোলাম মোস্তফা
রাসেলের বিরুদ্ধে নেওয়া চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
দ্যা প্রেস নিউজ/এফজে
মন্তব্য করুন